
অনেকে মনে করেন শুঁটকি মাছ বা ড্রাই ফিশ শুধুই মুখের স্বাদ বদলানোর জন্য খাওয়া হয়। কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবেন, পুষ্টিগুণের দিক থেকে তাজা মাছের চেয়ে শুঁটকি কোনো অংশে কম নয়, বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি তাজা মাছকেও হার মানায়! বিশেষ করে গর্ভবতী মা এবং বাড়ন্ত শিশুদের জন্য এটি পুষ্টির খনি।
চলুন জেনে নিই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় শুঁটকি রাখার ৫টি বড় উপকারিতা।
তাজা মাছের তুলনায় শুঁটকিতে প্রোটিনের পরিমাণ অনেক গুণ বেশি থাকে। মাছ শুকিয়ে ফেলার ফলে এর জলীয় অংশ কমে যায় এবং প্রোটিন ঘনীভূত হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম তাজা মাছে যেখানে ১৮-২০ গ্রাম প্রোটিন থাকে, সেখানে ১০০ গ্রাম শুঁটকিতে প্রোটিন থাকতে পারে ৫০-৮০ গ্রাম পর্যন্ত! যারা জিম করেন বা বডি বিল্ডিং করতে চান, তাদের জন্য এটি দারুণ প্রাকৃতিক উৎস।
যেহেতু আমাদের দেশের বেশিরভাগ শুঁটকি কড়া রোদে শুকানো হয়, তাই এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ডি সঞ্চিত থাকে। হাড়, দাঁত ও নখের গঠনে ভিটামিন-ডি অপরিহার্য। হাড়ের ক্ষয় রোধ করতে নিয়মিত শুঁটকি খাওয়া উপকারী।
সামুদ্রিক শুঁটকি (যেমন: লইট্টা, ছুরি, রূপচাঁদা) আয়োডিনের চমৎকার উৎস। এটি থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন, যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সহায়ক।
গবেষণায় দেখা গেছে, সামুদ্রিক মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হার্টের জন্য খুবই উপকারী। এটি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে শুঁটকি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ফ্লু বা সাধারণ সর্দি-কাশিতে গরম গরম শুঁটকি ভর্তা বা ঝাল ভুনা খেলে বেশ আরাম পাওয়া যায়।
সতর্কতা: যাদের উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) বা কিডনির সমস্যা আছে, তাদের শুঁটকি খাওয়ার আগে লবণের পরিমাণ সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
খাঁটি মানের নিশ্চয়তা: পুষ্টি তখনই পাবেন যখন শুঁটকি হবে কেমিক্যাল মুক্ত। Coxsbazarpro দিচ্ছে ১০০% কেমিক্যাল ও ডিডিটি মুক্ত নিরাপদ শুঁটকির নিশ্চয়তা।
From৳1499.5